পাতানো মার ঝড়তোলা গুদে ধনমালিশ


লজ্জা পাচ্ছ কেন? তুমি আরাম করে শুয়ে থাক।
আমি রান্না করে আসি, তারপর দুই মা-পো গল্প করবো।মুখ উচু করে তাকালাম, তার দিকে। কোন সংকোচ নেই। কোন কামনা নেই তার মুখে।সন্তান স্নেহেই তিনি জাংগিয়া খুলে বসতে বলছেন, আমার আরামের জন্য। তায়ুইরা কখন বাড়ী আসবে এতক্ষণে জিজ্ঞাসা করলাম, জাংগিয়া খুলতে খুলতে।দুপুর পার হয়ে যাবে। শার্টটাও খুলতে হলো। লুংগি আর গ্যাঞ্জি গায়ে অবস্থায় খাটের কোনায় বসে রইলাম।
আপনি আমার পাশে একটু বসেন, আপনার সাথে কথা বলতে আমার খুব ভাল লাগছে। উনি আবার সেই হাসিটা উপহার দিয়ে বসলেন আমার পাশে।কিন্তু বসতে যেয়ে আবার কষ্ট পেলেন।মলম টা দেনতো আমি মালিশ করে দেয়। একটু জোরেই বললাম এবার। ইতস্তত বোধ করলেও আমার জেদের কাছে হার মেনেই উনি এনে দিলেন।কোথায় ব্যথা?
ঘুরে বসে দেখিয়ে দিলেন। মেরুদণ্ডের হাড়ের কাছে ব্যথা।মলমটা হাতে নিয়ে আস্তে করে পিঠের শাড়ি সরিয়ে দিলাম। বেশ পরিস্কার উনি।আশ্চর্য কেমন একটা কোমলতা তার শরীরে। সন্তান স্নেহেই হয়তো আর আমার জেদের কাছে উনি হেরে গিয়ে আমার দিয়ে মালিশ করাচ্ছিলেন।
ছোট বেলা থেকে এই কাজে আমি বেশ এক্সপার্ট। তার প্রতিফলন হচ্ছিল। মালিশ উনার ব্যথা কমিয়ে দিচ্ছিল। উনার শরীরের আড়ষ্টতায় বুঝতে পারছিলাম উনি কেমন ব্যথা বোধ করছেন। মলমটা আমার পরিচিত। জানি মানুষের গোস যখন অসাড় হয়ে যায় তখন এই মলম প্রেসক্রাইব করা হয়। উনার ক্ষেত্রেও হয়তো তাই হয়েছে। এই মলমে উপকার হয়, তবে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে মালিশ করলে। কিন্তু তার ক্ষেত্রের সেটাহয়নি।
আপনার হাত-পায়ে কি ঝেজি ধরে? মালিশ করতে করতে জিজ্ঞাসা করলাম। হ্যা বোধক মাথা নাড়লেন। ডাক্তার কি বলেছে শুধু ব্যথার জায়গায় মালিশ করতে, নাকি সারা গায়ে?
সারা গায়ে। ঠিক আছে। আমি মালিশ করে দিচ্ছি। আপনি চুপচাপ বসুন। ২/৩ সপ্তাহ মালিশ করলে আপনার সমস্ত সমস্যা সেরে যাবে। ডাক্তারও তাই বলেছে। কিন্তু মালিশ করা হয় না। আমি আজ করে দিচ্ছি। আগামী সপ্তাহ আমি বাড়ী থাকবো, প্রয়োজনে আবার এসে করে দিয়ে যাব। আপনি এত সুন্দর একটা মানুষ অথচ ব্যথায় কষ্ট পাচ্ছেন।এবার বোধ হয় উনি আমার কথায় লজ্জা পেলেন।না বাবা থাক।
আমি অন্য কারো দিয়ে করিয়ে নেব।আপনি লজ্জা পাচ্ছেন কেন, আমিতো আপনার ছেলের মতো।আর কোন কথা বললেন না উনি। বাধাও দিলেন না। আমি প্রস্তুতি নিলাম কিভাবে মালিশ করবো। আর মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলাম যত কষ্টই হোক, উনার মনে কষ্ট দেব না অথবা দুর্বলতার সুযোগ নেব না। মাখনের মতো পা উনার। প্রথমে পা থেকে শুরু করবো না হাত থেকে ভাবতে ভাবতে হাতকে বেছে নিলাম। পাশাপাশি বসা আমরা দুজন। বামহাত টা নিয়ে শুরু করলাম, প্রতিটি আঙুলের গোড়া থেকে সুন্দর করে মেসেজ করতে লাগলাম। একসময় হাতদুটোই আমার ঘাড়ে দিয়ে হাতা পর্যন্ত অর্থাৎ ব্লাউজের হাতা পর্যন্ত মালিশ করেদিলাম।হাতের মালিশ শেষ হলো। উনাকে বললাম পা দুটো ঝুলিয়ে দিয়ে শুয়ে পড়তে। নিঃশব্দে আমার কথা শুনে শুয়ে পড়লেন। পায়ের গোড়ালী থেকে শুরু করে হাটু পর্যন্ত উঠলাম। কোন বাধা নেই। নিঃশব্দে বিনা নড়াচড়ায় উনি মালিশ নিতে থাকলেন।
হাটু পর্যন্ত শেষহলে আস্তে আস্তে শাড়ি সায়া সমেত তুলে দিলাম দাপনার পর। কোন বাধা এল না।উনার মুখের দিকে তাকালাম চোখ বুজে হাতের আড়াল করে শুয়ে রয়েছেন। আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটুকু কাপড় খুলবো। সামনের দাপনা মালিশ শেষ হলো। শাড়ি আর সায়া দিয়ে এখনও গুদ ঢাকা।কোন বাড়াবাড়ি করলাম না। ধীরে ধীরে উনাকে ঘুরিয়ে শুয়ে দিলাম। পিছনের দাপনা থেকে সাড়ি সরিয়ে পাছা আলগা করলাম, কোন উত্তেজনা নজরে পড়লো না। এত সুন্দর মোলায়েম পাছা। 

ইচ্ছা হচ্চিল চুমুয় ভরে দেয়। কোন দাগ নেই। মসৃন কামনা জাগানো পাছা। মালিশ হয়ে গেল।আবার বসিয়ে দিলাম উনাকে। উনি যেন আমার হাতের পুতুল। যেভাবে নাড়াচ্ছি সেভাবেই নড়ছে কোন বাধা দিচ্ছেন না, কোন কামনার চিহ্নও নেই তার চেহারায়। আস্তে আস্তে শাড়িটি নামিয়ে দিয়ে উনার পা পর্যন্ত ঢেকে দিলাম আবার। বুক থেকে শাড়ির আচল নামিয়ে দিলাম। একবার তাকালেন আমার দিকে। ঐ পর্যন্তই। আবার শুয়ে দিলাম। গলার কাছ থেকে বুকের ব্লাউজের উপর পর্যন্ত ছুয়ে দিলাম আমার কামনার হাত। পেটের ক্ষেত্রেও কোন বাধা আসল না।চোখ বুজে পড়ে আছেন উনি। আর আমি খেলছি উনার শরীর নিয়ে। সারাদেহে মালিশ শেষ হয়েছে, কিন্তু আসল দুই জায়গা এখনও অব্দি বাকি। উনার বুক আর সামনে লোভনীয় নরম উপত্যাকা। পেট মালিশ শেষে কিছুক্ষণ থামলাম, চোখ মেলে তাকালেন উনি। আবার চোখ বুজলেন। আস্তে আস্তে বুকের দিকে হাত বাড়ালাম। ব্লাউজের উচুস্তুপ দেখে বোঝা যাচ্ছে বেশি বড় না কিন্তু মাপসই বুক উনার। প্রথম বোতামটা খুললাম, দ্বিতীয়বোতাম, তৃতীয় চতুর্থ ও পঞ্চম। হালকা ফাক দিয়ে দেখা যাচ্ছে ইষৎ মাংসের পিণ্ড।
আবার হাতে মলম লাগালাম। বুকের চেরা যতটুকু ব্লাউজের ফাক দিয়ে দেখাযাচ্ছে আস্তে আস্তে মালিশ করতে লাগলাম। এত নরম কিন্তু কিছুটা গরম যেন। নিপুন হাতে মালিশ করতে লাগলাম।বেশ কিছুক্ষণ মালিশ করে আস্তে আস্তে উনার বাম দুধটা আলগা করলাম, নিটোল, ভাজ পড়েনি, কোন দাগ নেই। কিছুক্ষণ তাকিয়ে দেখতে লাগলাম কামনার এই বস্তু। অপর দুধটাও আলগা করে দিলাম। বেশ কিছুক্ষণ উপভোগ করতে লাগলাম । এবার আর চোখ খুললেন না। কাপা কাপা হাতে দুধ মালিশ করতে লাগলাম। মাঝে মাঝে হাত দিয়ে মুঠো করে ধরছিলাম, কিন্তু কোন রিএকশ্যান নাই। 

মলম লেগে দুধদুটো চকচক করছিল, বোটায় মলম লাগাইনি। কেন জানিনা। বুকে মালিশ শেষ। বোতাম লাগালামনা। উচু করে বসিয়ে দিলাম উনাকে। বুক দুটো বের হয়ে থাকল। ব্লাউজটা পুরো খুলে দিলাম। বসানো অবস্থায় পিঠে মালিশ লাগালাম। আমার ধোনের অবস্থা ভালনা। কিন্তু প্রতিজ্ঞা ভাংলাম না। আবার শুইয়ে দিলাম।এবার গুদ মালিশ করার পালা। শাড়ি উচু করলাম। হালকা হালকা রেশমি বালে ছায়া গুদের উপত্যকা। আবারও তাকিয়ে থাকার পালা। গুদের কোয়া বেয়ে হালকা হালকা রস গড়িয়ে এসে গুদের বাল ভিজিয়ে দিয়েছে। আলো লেগে চকচক করছে। খুব সুন্দর করে মালিশ করলাম।
একসময় শেষ হলো। উঠেন মা, মালিশ হয়ে গেছে। উনি উঠে বসলেন। কোন ব্যস্ততা দেখালেন না। শাড়িটা গায়ে জড়িয়ে নিলেন। বসবাবা, আমি আসছি। বলে বাইরে গেলেন। আমি ধোন বাবাজিতে হাত বুলাতে লাগলাম। দেরি করলেন না। চলে আসলেন তাড়াতাড়ি। সম্ভবত বাথরুমে গিয়েছিলেন। বসলেন আমার পাশে। মানুষের চেহারা দেখলে তার মনের কথা পড়া যায়, এটা হয়তো আংশিক সত্য। কেননা এর পরে যে ঘটনা ঘটল, তা আদৌ আমি প্রত্যশা করিনি।
কিছুক্ষণ চুপচাপ আমার দিকে তাকিয়ে বসে থাকলেন উনি। আমি মাথানিচু করে চুপচাপ বসেছিলাম। হঠাৎ আমার হাত ধরে উনার দিকে ফিরিয়ে নিলেন। কিছুক্ষণ দুজন দুজনের চোখের দিকে তাকিয়ে রইলাম। মাথায় হাত দিয়ে চুলে বিলি কাটতে লাগলেন আমার। তারপর এক সময় আমাকে টেনে উনার কোলে শুয়ায়ে দিলেন। উনার কোলে মাথা দিয়ে উনার মুখের দিকে তাকিয়ে রইলাম। উনিও তাকিয়ে থাকতে একপাশের শাড়ি সরিয়ে একটা দুধ বের করে পুরে দিলেন আমার মুখে। ঠিক যেমনভাবে মা তার বাচ্চার মুখে দুধের বোটা পুরে দেয়। চুষতে লাগলাম, হয়তো এটা আমার ভাগ্যে ছিল বলেই দুধের বোটায় মলম লাগায়নি। বেশ কিছুক্ষণ চোষার পর দুধ বদলে দিলেন তিনি। উনার হাত আমার বুকে ঘুরে বেড়াচ্ছিল, বুঝতে পারছিলাম আসতে আসতে নিচে নামছে। এক সময় এসে থামল আমার ধোনের উপরে যা বহু আগেই আকাশমুখো হয়ে ছিল। উনার হাত আমার ধোনে পড়তেই থেমে গেলাম দুধ খাওয়া থেকে। বোটা থেকে মুখ সরিয়ে উনার মুখের দিকে তাকালাম। উনিও তাকালেন। চারচোখ এক হলো। কিন্তু ধোন থেকে হাত সরল না। লুংগির উপর দিয়ে হালকা হাত বোলানো।তাতেই আমার অবস্থা কাহিল। বাধা দিলামনা, বরং নতুন উৎসাহে আবার দুধের বোটা একটা গালে পুরে নিলাম। আর অন্য দুধটাকে হাতদিয়ে দলাই মলাই করতে থাকলাম। লুংগির গিট খুলছেন বুঝতে পারছি। নাভির কাছে বেশ কিছুক্ষণ হাত বুলালেন, কেপেকেপে উঠতে লাগল আমার পুরুষাঙ্গ। ফোপাতে ফোপাতে লাগল কোন নরম জায়গার খোজে।

 
তোমারটা বেশ বড়, আর মোটা। তোমার তায়ুর থেকে। দীর্ঘক্ষণ পরে কথা হল।তোমার তায়ুরটা ছাড়া অবশ্য কারোটাই হাত দেয়নি। সেই আমাকে শুধু ব্যবহার করেছে। আজ প্রথম তোমার কাছে নিজেকে খুলে দিলাম। বলে চুপ হয়ে গেলেন তিনি, কিযেন চিন্তা করছেন। নাভি থেকে হাতটা আস্তে আস্তে নেমে আমার বালে বিলি কাটতে লাগল।
তুমি উপরে উঠো। বলে আমাকে বসিয়ে দিলেন।নিজে উঠে দাড়িয়ে শাড়ি খুলে ফেললেন। নিরাভরণ শরীর, শায়াটাকেও খুলে ফেললেন। হালকা বালে ঢাকা কোমল গুদ। শুয়ে পড়লেন। পা দুটো ঝুলিয়ে না দিয়ে উচু করে রাখলেন। আস্তে আস্তে উঠলাম, কখন লুংগি খুলে গেছে খেয়াল ছিল না। আস্তে আস্তে উনার দুপায়ের মাঝে নিজেকে নিয়ে আসলাম। ধোনকে কখনও রাস্তা দেখাতে হয় না, মাজা নিচু করে দিতেই বাবাজি রাস্তার মুখে হাজির হলো। উনি হাত দিয়ে ধরে ভরেদিয়ে বললেন, চাপ দাও। আস্তে আস্তে দিও।
অনেকদিন ব্যবহার হয়নি। আশ্চর্য হলাম উনার কথা শুনে, কিন্তু অপেক্ষা না করে, ঠেলে দিলাম প্রচণ্ড গরমগহবরে। বেশ খানিকটা গেল। আবার বের করে একটু জোরে চাপ দিলাম, পুরোটা ঢুকেগেল, কিন্তু টাইট উনার বয়সের তুলনায়।আস্তেআস্তে ঠাপাতে লাগলাম, মসৃন ভাবে। একটু উবু হয়ে দুধচুষতে লাগলাম, অতীত অভিজ্ঞতায় জানি, এটা মেয়েদের পছন্দের বিষয়। পা দিয়ে মাজা জড়িয়ে ধরলেন উনি। আস্তে আস্তে তলঠাপ দিচ্ছিলেন বুঝতে পারছিলাম।আস্তে আস্তে তলঠাপের গতির সাথে সাথে আমার গতিও বাড়তে লাগল। দু হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরলেন। প্রচণ্ড জোরে। গুদের ভিতরে যেন ঝড় চলছে। কামড়িয়ে ধরছে ধোনটাকে গুদের পেশিগুলো। মজা লাগে এ সময় বেশি। বুঝতে পারছিলাম উনার হবে।আমারটাও যাতে একসাথে হয় তাই আরো গতি বাড়ালাম, পাগলের মতো করতে লাগলেন উনি।
হঠাৎহতে শুরু করল আমার উনার সাথে সাথে। হয়ে গেল দুজনের একসাথে। চেপে ধরে রাখলাম, আস্তে আস্তে চুমু খেতে লাগলাম উনার ঠোটে।দুজন এখনও একসাথে শুয়ে আছি। ধোন মুলধোন হয়ে এখনও ভিতরে অবস্থান করছে।
ওরাবাড়িতে আসতে বিকেল হয়ে যাবে। চল গোসল করে আসি। তারপর তোমাকে অনেক নাপাওয়ার গল্প শোনাবো। এভাবে তোমার কাছে নিজেকে তুলে দিয়েছি বলে আমাকে আবার খারাপ ভেব না। এক নিঃশ্বাসে বললেন কথাগুলো। তারপর দুজন উঠলাম, গোসল করে আসলাম, উনি রান্না চড়ালেন, পাশে বসে আমি পিড়িতে। উনার কষ্ট আর না পাওয়ার গল্প শোনার জন্য।